বৃহস্পতিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯

আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী দা.বা.কে জাতীয় খতমে নবুওয়াত অ্যাওয়ার্ড প্রদান


আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী দা.বা.কেজাতীয় খতমে নবুওয়াত অ্যাওয়ার্ড প্রদান


নবুওয়াত আন্দোলন বাংলাদেশের চেয়ারম্যান হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব আল্লামা হাফেজ জুনায়েদ বাবুনগরী বলেছেন, “কাদিয়ানিদের কাফের ঘোষণার দাবিতে প্রয়োজন হলে আরেকটি শাপলা চত্বর কায়েম হবে”
আজ মুন্সিগঞ্জে খতমে নবুওয়াত আন্দোলন বাংলাদেশের উদ্যোগে তিনদিন ব্যাপী কাদিয়ানী বিরোধী খতমে নবুওয়াত ইজতেমায় এর প্রথম দিন বৃহস্পতিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি)  ফকীহুল আসর আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরীর উদ্বোধনী বয়ানের মাধ্যমে শুরু হয়। প্রধান আলোচকের বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। গোলাম আহমদ কাদিয়ানীর অনুসারী কাদিয়ানীরা ‘আহমদিয়া মুসলিম জামাত’ নয়; বরং ওরা হচ্ছে ‘শয়তানিয়া কাফের জামাত’। বাংলাদেশে মুসলিম পরিচয় তাদেরকে কোন কার্যকলাপ করতে দেয়া হবে না এবং অতিসত্বর তাদেরকে কাফের ঘোষণার জোরালো দাবি জানান তিনি।
তিনি আরো বলেন, কাদিয়ানিরা সহজ-সরল মুসলমানদের ধোঁকা দিয়ে ইসলামের ক্ষতি সাধন করে যাচ্ছে। ইসলামের বিভিন্ন পরিভাষা ব্যবহার করে সাধারণ মুসলমানদের ঈমান হরণের মত জঘন্য কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছে তারা। বাংলাদেশসহ বিশ্বের সমস্ত মুসলমান এবং আলেম-ওলামারা একমত যে কাদিয়ানিরা মুসলিম নয় বরং তারা ইসলামের বিভিন্ন আকীদা-বিশ্বাসকে নষ্ট করার পায়তারা করে যাচ্ছে। কোন মুসলমান তাদের কার্যক্রম সমর্থন করতে পারে না। তাই সরকারের প্রতি অনুরোধ থাকবে কাদিয়ানিরা এদেশে ভিন্ন পরিচয় নিয়ে বা সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের পরিচয়ে তাদের কার্যকলাপ পরিচালনা করুক। মুসলিম পরিচয়ে তাদের কোন কার্যক্রম পরিচালনা করতে না দেয়ার অনুরোধ জানান তিনি। সাথে সাথে তিনি বলেন, সাধারণ মুসলমানদের এই দাবি না মানলে নবীপ্রেমী মুসলমানদের নিয়ে আরেকটি শাপলা চত্বর কায়েম করা হবে হবে এবং দাবি আদায় করে নেয়া হবে। প্রসঙ্গত : পঞ্চগড়ে আহমদীয়া কাদিয়ানি জামাতের তথাকথিত ইজতেমায় আয়োজনের ঘোষণার পর বাংলাদেশের ওলামায়ে কেরাম এবং সাধারণ মুসলমানরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। খতমে নবুয়াত আন্দোলনের নেতাকর্মীদের প্রচেষ্টায় সাধারণ মুসলমানদের সহযোগিতায় শেষ পর্যন্ত কাদিয়ানীদের ইজতেমা আয়োজন বন্ধ হয় কিন্তু তাদের তৎপরতা বন্ধ হয়নি। তাই বাংলাদেশের সর্বস্তরের আলেম-ওলামারা কাদিয়ানীদের অমুসলিম ঘোষণার দাবিতে আন্দোলন করে যাচ্ছে। এছাড়া তিনি মুফতি নুরানীর নেতৃত্বে যে কোন কাদিয়ানী বিরোধী আন্দোলনে পাশে থাকার আশা ব্যাক্ত করেন। খতমে নবুয়াত আন্দোলনের আমীর বাংলাদেশের প্রথম বারের মত তাকে জাতীয় খতমে নবুওয়াত অ্যাওয়ার্ড প্রদান করেন। বয়ান শেষে তিনি হেলিকপ্টার যোগে তিনি চট্টগাম বিকাল চারটার নাগাদ চলে যান।আগামী কাল সৌদি আরব থেকে ইন্টারন্যাশনা খতমে নবুওয়াত আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর আল্লামা শাইখ আব্দুর রউফ বিন আব্দুল হাফিজ মক্কী আসবেন বলে সদয় সম্মতি জ্ঞাপন করেছেন। ইজতিমার আখেরী মুনাজাত হবে শনিবার সকাল আট টায় অনুষ্ঠিত হওয়ার হবে। বাংলাদেশে প্রথমবারের মত খতমে নবুওয়াত আন্দোলন বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আমীরে খতমে নবুওয়াত মুফতি নুরানী বাবুনগরীকে জাতীয় খতমে নবুওয়াত  অ্যাওয়ার্ড প্রদান করেন।
বার্তা প্রেরক
মুহাম্মদ ওসমান আল-হুমাম
প্রচার সম্পাদক
০১৮১৯৯৯৫৫২৮
খতমে নবুওয়াত আন্দোলন বাংলাদেশ


কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ইসলামের দৃষ্টিতে বৃক্ষরোপণ ও সবুজ বনায়নের গুরুত্ব

ইসলামের দৃষ্টিতে বৃক্ষরোপণ ও সবুজ বনায়নের গুরুত্ব হাফেয মাওলানা মুফতি ওসমান আল-হুমাম উখিয়াভী সিনিয়র মুহাদ্দিস জামেয়া ইসলামিয়া বাইতুল ক...