শুক্রবার, ৩০ জুন, ২০১৭

কওমি মাদরাসার নতুন শিক্ষাবর্ষ: কোথায় কখন ভর্তি

কওমি মাদরাসার নতুন শিক্ষাবর্ষ: কোথায় কখন ভর্তি
======================================


রমজান শেষচলছে শাওয়াল মাসকওমি মাদরাসার ছাত্রদের জন্য শুরু হচ্ছে নতুন শিক্ষা বর্ষমাদরাসার নিয়মানুসারে প্রতিবছর শাওয়াল মাসে ভর্তি শুরু হয়সাধারণ ৭ শাওয়াল থেকে ভর্তি শুরু হয়ে শেষ হয় ৯ শাওয়াল বা কোথাও কোথাও এক সপ্তাহ পর্যন্ত ভর্তি কার্যক্রম চলেদেশের উল্লেখযোগ্য কয়েকটি মাদরাসায় কবে থেকে ভর্তি শুরু এবং কয়দিন ভর্তি চলবে বিস্তারিত তুলে ধরা হলো
উল্লেখ্য, প্রায় প্রতিটি মাদরাসায় এখন ভর্তির সময় জন্মনিবন্ধন সনদ/ভোটার আইডি কার্ডের ফটোকপি, চেয়ারম্যানের প্রত্যয়নপত্র ও ১ কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি লাগবেএগুলো সম্ভব হলে সঙ্গে রাখুন
ঢাকার বাইরে
দারুল উলূম মুঈনুল ইসলাম হাটহাজারী চট্টগ্রাম
ভর্তির কার্যক্রম শুরু হবে ৮ শাওয়ালসকাল থেকেকোটা পূরণ সাপেক্ষে ১৩ শাওয়াল সন্ধ্যা পর্যন্ত ভর্তি চলবে
জামিয়া কুরআনিয়া দারুল উলূম ওসমানাবাদ, রাজাঘাটা, নোয়ারবিলা,চরম্বা, লোহাগাড়া, চট্টগ্রাম। ইয়াজ দাহুম থেকে দাওরায়ে হাদিস পর্যন্ত (১বছর মেয়াদী ইফতা বিভাগ ও হিফয ফারেগ ছাত্রদের জন্য মুতাফাররিকা ১বছরে মিযান জামাত পযন্ত ) ৭ই শাওয়াল থেকে ভর্তি শুরু ।গরীব মেধাবী ছাত্রদের জন্য বিশেষ সুবিধা রয়েছে। ০১৮১৯৯-৯৯৫৫২৮০১৮১৪-৭৭০৫৬৯
ঢাকা
জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়া, মোহাম্মাদপুর
কিতাব বিভাগের নতুন ছাত্রদের ভর্তি কার্যক্রম কোটা পূরণ সাপেক্ষে ৯ শাওয়াল থেকে ১১ শাওয়াল পর্যন্ত চলবেতবে ৮ শাওয়াল ভর্তি ফরম সংগ্রহ করার সুযোগ থাকবে
৭ শাওয়াল থেকে ভর্তি ফরম বিতরণ, ওই দিন নাহবেমীর জামাত পর্যন্ত ভর্তি ইচ্ছুক ছাত্রদের (মৌখিক) পরীক্ষা ও ভর্তি নেওয়া হবে
পুরাতন ছাত্রদের ভর্তি ৮ শাওয়াল একদিন তবে কোটা থাকার শর্তে পরবর্তী ২য় দিনেও ভর্তি হতে পারবে
এককালীন বোর্ডিং চার্জ ( যারা ফুল ফ্রি খাবে ) ১০০০/-
সাধারণ খানা ২ বেলা ও সকালে নাশতাঃ ১৫০০/-
বিশেষ খানা ২ বেলা ও সকালের নাশতাঃ ২০০০/-
৫ শাওয়াল সকাল ৭টা থেকে ফরম বিতরণ করা হবে, সকাল ৮টায় সকল জামাতের ভর্তি ইচ্ছুকদের পরীক্ষা অনুষ্টিত হবেপরের দিন ৬ শাওয়াল ফলাফল ঘোষণার পর মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবেকিতাব বিভাগের ভর্তি ৬-৮ শাওয়াল প্রতিদিন সকাল ৭টা থেকে আসর পর্যন্ত চলবে
৮ শাওয়াল ভর্তি সংক্রান্ত কার্যক্রম শুরুএ দিনই শেষ হবে সব কার্যক্রমএখানে যারা ভর্তি হওয়ার নিয়ত করছেন তারা ৭ শাওয়াল মাদরাসার আশেপাশে থাকলে ভালো হবে
৭ শাওয়াল ভর্তি শুরু হয়ে কোটা পূরন না হওইয়া পর্যন্ত ভর্তি কার্যক্রম চালু থাকবে
ভর্তি শুরু ৮ শাওয়াল থেকে ১০ শাওয়াল পর্যন্তপ্রতিদিন সকাল ৮ টা থেকে বিকে ৫ টা পর্যন্ত ভর্তি কার্যক্রম চলবে
৮ শাওয়াল থেকে শুরু হয়ে কোটা অবশিষ্ট থাকা পর্যন্ত ভর্তি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে
৮ শাওয়াল সকাল ৭টা থেকে ভর্তি শুরু হয়ে কোটা পূরণ হওয়া পর্যন্ত ভর্তি কার্যক্রম চালু থাকবে
৮ শাওয়াল থেকে ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয়ে চলবে ১৩ শাওয়াল পর্যন্ত
পুরাতন শিক্ষার্থীরা ১১ শাওয়াল এবং নতুনরা ১৩ শাওয়াল পর্যন্ত ভর্তি হতে পারবেন
নতুন শিক্ষার্থীদের ভর্তি ১০ শাওয়াল থেকে শুরু হয়ে চলবে ২০ শাওয়াল পর্যন্তপুরাতন শিক্ষার্থী ভর্তি ১৬ শাওয়াল পর্যশন্ত
৯ শাওয়াল থেকে ধারাবাহিক ১ সপ্তাহ ভর্তি চলবে
নতুন শিক্ষার্থী ভর্তি ৫ থেকে ১০ জুলাইপুরাতন ১২ জুলাই
কিতাব ভিভাগে ভর্তি শুরু ৯ শাওয়াল
নূরানি, নাযেরা ও হিফজ বিভাগে ভর্তি শুরু ১২ শাওয়ালকোটা পুরণ হওয়া পর্যন্ত ভর্তি চলবে

নতুন ছাত্রদের দাখেলা পরীক্ষা প্রতিদিন সকাল ৭.৩০ থেকে দুপুর ১.০০ পর্যন্ত মৌখিকভাবে অনুষ্ঠিত হবেবিকেল ৩.৩০ মিনিটে উত্তীর্ণদের তালিকা প্রকাশ করা হবেতারপর ভর্তি কাজ সম্পন্ন করবে
হিফজ ও মক্তবের নতুন ছাত্রদের ভর্তি কার্যক্রম ৮ শাওয়াল থেকে শুরু হয়ে কোটা পূরণ হওয়া পর্যন্ত চলবে
ইফতা বিভাগের নতুন ছাত্রদের ভর্তি ৭ ও ৮ শাওয়ালের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে
মোবাইল : +8801944717676
জামিয়া রাহমানিয়া আলী এন্ড নূর রিয়েল এস্টেট
৮ শাওয়াল হেদায়াতুন্নাহু জামাত থেকে তাখাসসুস পর্যন্ত ভর্তি ইচ্ছুকদের মৌখিক ও লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবেপরিক্ষায় উত্তীর্ন ছাত্রদের ৯ শাওয়াল ফলাফল ঘোষণার পর ভর্তি নেওয়া হবে
৯ শাওয়াল মক্তব, নাযেরা ও হিফজ বিভাগে ভর্তি ইচ্ছুক ছাত্রদের ভর্তি পরীক্ষা ও ভর্তি নেওয়া হবে
ফোন: ৮১৮১৮৬

জামিয়া শারইয়্যা মালিবাগ
সকল জামাতের ভর্তি ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের জন্যই ৭ ও ৮ শাওয়াল পর্যন্ত ভর্তি ফরম বিতরণ, ভর্তি পরীক্ষা ও ভর্তি কার্যক্রম চলবে
৭ শাওয়াল সকাল ৮টার পর ফরম বিতরণ করা হবে।  ফরম পাওয়ার পর পূরণ করে এক কপি ছবিসহ নায়েবে মুহতামিমমের স্বাক্ষর নিয়ে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করতে হবে
এখানে ইফতা বিভাগে ভর্তির জন্য লিখিত ও মৌখিক উভয় পরীক্ষা দিতে হবে লিখিত পরীক্ষার মধ্যে রয়েছে হেদায়া (কিতাবুল বুয়ু ও তালাক), নুরুল আনোয়ার (কিতাবুল্লাহ) বাংলা ও আরবি প্রবন্ধ মৌখিক পরীক্ষার জন্য হেদায়া ফাতহুল কাদীরসহ যে কোনো কিতাব থেকে জিজ্ঞাসালিখিত পরীক্ষা ৩ জুলাই সোমবার বিকাল ২-৫টামৌখিক পরীক্ষার ৪ জুলাই সকাল ৮.৩০ মিনিট
ফোন : ৯৩৩০২৭৯
জামিউল উলুম মিরপুর ১৪
নতুন ছাত্রদের ৮ শাওয়াল সকল জামাতের ভর্তি ইচ্ছুকদের ফরম বিতরণ করা হবে এবং ওই দিন সকাল ৭টা থেকে মাগরিব পর্যন্ত ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবেবাদ এশা পরিক্ষায় উত্তীর্নদের ফলাফল ঘোষণা করা হবে
বোর্ডিং ফি
ফোন : ৮০১৩৯৮৬
আকবর কমপ্লেক্স মাদরাসা
ফোন : ৮০১৮০৮৩
বাইতুল উলুম ঢালকানগর
সোমবার ফজরের পর ফরম বিতরণসকাল ৭ টা থেকে ভর্তি পরীক্ষা শুরু
ফোন : ৭৪৪২৬৪২
জামিয়া আরাবিয়া ইমদাদুল উলূম, ফরিদাবাদ
ভর্তি কার্যক্রমও শুরু হবে ৭ শাওয়াল থেকেআর কোটা পূরণ সাপেক্ষে ভর্তির কার্যক্রম চলবে ৯ শাওয়াল পর্যন্ত
এখানে ভর্তির জন্য ফজরের আগেই ফরম তোলার প্রস্তুতি নিয়ে রাখতে হবেফজরের পরপর বা সকাল ৭ টা থেকৈ ৮টার মধ্যে ফরম পাওয়া যাবে
জামিয়া মাদানিয়া যাত্রাবাড়ী 
ভর্তি শুরু ৮ শাওয়াল থেকেকোটা পূরণ সাপেক্ষে চলবে ১ সপ্তাহ
জামিয়া কোরআনিয়া আরাবিয়া লালবাগ
ভর্তি শুরু ৮ শাওয়াল সোমবারকোটা পূরণ সাপেক্ষে চলবে ১ সপ্তাহসকাল ১০ টা থেকে আসর পর্যন্ত ভর্তি কার্যক্রম চলে
ইফতায় ভর্তির জন্য লিখিত পরীক্ষা দিতে হবেবুখারি আওয়াল ও হেদায়া আখেরাইনবাকি সব জমাতের পরীক্ষা মৌখিক
জামিয়া মাদানিয়া বারিধারা
ভর্তি শুরু ৮ শাওয়াল (৩ জুলাই)চলবে ১১ শাওয়াল পর্যন্তসকাল ৯টা থেকে আসর পর্যন্ত ভর্তি কার্যক্রম চলবে
ইফতা ও আদব বিভাগে লিখিত পরীক্ষা হবেবাকিসব মৌখিকইফতার জন্য তিরমিজি ১ম ও হেদায়া ৩য়আদব উপস্থিত যে কোনো বিষয়ে আরবি মাকালা
শাইখ যাকারিয়া ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার
৬ শাওয়াল শনিবার থেকে ভর্তি শুরুকোটা পূরণ সাপেক্ষ ১ সপ্তাহ পর্যন্ত চলবে
মৌখিক ও লিখিত উভয় পরীক্ষা দিতে হবেমৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেই লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেয়ার সুযোগ পাবেউভয় পরীক্ষার নম্বর সমন্বয় করে ভর্তি নেয়া হবে
তাখাসসুসের ৪টি বিভাগ যথাক্রমে ইফতা, উলুমুল হাদিস, উলুমুল কুরআন ও আদব বিভাগে ৬টি বিষয়ে পরীক্ষা নেয়া হবে
পরীক্ষার বিষয় হলো, হাদিস ও উসুলুল হাদিস, ফিকাহ, উসুলুল ফিকা, লুগাহ (নাহু সরফ) ও ইনশাইফাত ও হাদিস বিভাগের পরীক্ষা এক প্রশ্নে হবে এবং আদব ও তাফসির বিভাগের পরীক্ষা আলাদা বিভাগে হবে
মেশকাত ও দাওরায়ে হাদিসে শুধু মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে
জামেয়া ইসলামিয়া ইসলামবাগ
জামিয়া ইকরা বাংলাদেশ
ফোন : ০১৮১৫৫৫৫৩৫৮
জামিয়া হুসাইনিয়া ইসলামিয়া আরজাবাদ
ইফতার ভর্তি পরীক্ষা ও ভর্তি ৫ জুলাই বুধবার
ভর্তি ফরমের মূল্য ৩০০ টাকাভর্তি ফি ১০০০ টাকা।  এককালীন প্রদেয় ২০০০ টাকা
ফোন : ৮০১১১৬০
আফতাবনগর মাদরাসা
ফোন : ০১৭১২২২৩৯২৬
বাবুস সালাম (এয়ারপোর্ট)
৬ শাওয়াল থেকে ধারাবাহিক সাতদিন ভর্তি চলবে
জামিয়া কারিমিয়া রামপুরা
ঢাকার বাইরে
দারুল উলূম মুঈনুল ইসলাম হাটহাজারী চট্টগ্রাম
ভর্তির কার্যক্রম শুরু হবে ৮ শাওয়ালসকাল থেকেকোটা পূরণ সাপেক্ষে ১৩ শাওয়াল সন্ধ্যা পর্যন্ত ভর্তি চলবে
জামিয়া গহরপুর সিলেট
জামিয়া মাহমুদিয়া ইসলামিয়া সুবহানিঘাট
ভর্তি শুরু ৮ শাওয়াল সোমবারভর্তি চলবে ১৮ শাওয়াল পর্যন্তনুরানী হিফজ থেকে শুরু করে দাওরায়ে হাদিস পর্যন্ত যে কোনো বিভাগে ছাত্র ভর্তি হতে পারবেনযোগাযোগ: 01877271477
জামিয়াতুস সুন্নাহ শিবচর, মাদারীপুর
ভর্তি শুরু ৩ জুলাই৷ কোটা পূরণ সাপেক্ষে ৫দিন চলবে৷ মকতবে ভর্তি হতে হলে কমপক্ষে ৫ম শ্রেণি পাশ হতে হবে৷ যোগ্যতানুসারে শ্রেণীর ব্যাপার শিথিলযোগ্য৷ সরাসরি ভর্তি পরীক্ষা (মৌখিক) এ অংশ গ্রহণ করতে হবে৷
হিফজে বাইরের ছাত্র নেয়া হয় না৷ বিশেষ বিবেচনার সুযোগ আছে৷ কিতাব বিভাগে দাওরা পর্যন্ত৷ ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে৷ মৌখিকের সাথে লিখিতও হতে পারে৷
ইফতা: দুই বছর কোর্স নতুন নেয়া হবে ৫ জন।  আদব: দুই বছর৷ কোটা পূরণ সাপেক্ষে৷
মাসিক খোরাকি: নরমাল-(যাকাতমুক্ত) ১৭০০টাকা স্পেশাল- ২৬০০টাকা খাবার: তিন বেলা
জামিয়া ফারুকিয়া আখতারুল উলুম ছয়আনি বেগমগঞ্জ নোয়াখালী
৭ শাওয়াল থেকে ভর্তি শুরুকোটা পূরণ সাপেক্ষে চলবে ১ সপ্তাহ পর্যন্ত
এখানে নূরানি, হিফজ বিভাগ থেকে মেশকাত জামাত পর্যন্ত রয়েছে
ফোন : 01712569362
দারুল উলূম টঙ্গী, গাজীপুর
সিলেট কাজিরবাজার মাদরাসা
জামিয়া আরাবিয়া মাদীনাতুল উলূম ভালুকা, ময়মনসিংহ
লেখালেখি, শুদ্ধভাষা ও সাংবাদিকতা
যারা দাওরায়ে হাদিস সম্পন্ন করেছেন তাদের জন্য বছরব্যাপী লেখালেখি, শুদ্ধভাষা ও সাংবাদিকতার কোর্সের আয়োজন করেছে আওয়ার ইসলাম টোয়েন্টিফোর ডটকমরাজধানী মুগদার জামিয়াতুস সালাম মদিনাবাগ মাদরাসায় আবাসিক ব্যবস্থাপনায় বছরব্যাপী এ কোর্সে ভর্তি হতে পারেন
ভর্তি শুরু হয়েছে রমজান থেকেই, কোটা পূরণ সাপেক্ষে চলবে ১৫ শাওয়াল পর্যন্তভর্তি সংক্রান্ত যোগাযোগ: ০১৯১৭-৩৭৫২৯৯
হিফজ মাদরাসা
মারকাজুত তাহফিজ ইন্টারন্যাশনাল মাদরাসা
ভর্তি শুরু হবে ৭ শাওয়াল (২ জুলাই)কোটা পূরণ সাপেক্ষে ভর্তি চলতে থাকবেহিফজ খানায় ভর্তির জন্য কুরআন ও তাজবীদের মৌখিক পরীক্ষা দিতে হবে
হিফজের জন্য দুটি বিভাগ রয়েছেএকটি ইন্টারন্যাশনাল হিফজ রিভিশনযাদের তেলাওয়াত সুমধুর, কণ্ঠ ভালো তারা এ বিভাগে চাঞ্চ পাবেবাকিদের জন্য আছে স্পেশাল হিফজ রিভিশন
এখানে আবাসিকের দুটি সিস্টেম রয়েছেস্পেশাল ও ভিআইপিস্পেশাল ক্যাটাগরিতে ভর্তির জন্য ৮ হাজার টাকা এবং মাসিক খাবার ও আবাসিক চার্জ  ৫ হাজার টাকাভিআইপিতে ভর্তি ২০ হাজার টাকা এবং খাবার ও আবাসিক চার্জ  প্রতি মাসে ১০ হাজার (এসিরুম)
ফোন : 01705068881-5

পর্যায়ক্রমে অন্যান্য মাদরাসার ভর্তির তারিখ যুক্ত করা হবেপোস্টটি আগামী কাল পুনরায় পডুন 

বৃহস্পতিবার, ৩০ মার্চ, ২০১৭

আপনিও আমাদের মিছিলে শামিল হউন


কাদিয়ানী মতবাদ : নবুওতে মুহাম্মদীর প্রতি এক প্রকাশ্য বিদ্রোহ --

কাদিয়ানী মতবাদ : নবুওতে মুহাম্মদীর প্রতি
এক প্রকাশ্য বিদ্রোহ --

মুফতি নুর হুসাইন নুরানি দা.বা.।

কাদিয়ানী সম্প্রদায় শরীয়তের শাখাগত বিষয়ে মতভেদকারী কোনো ‘দল’ নয়। এরা ইহুদি, খৃস্টান ও হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের মতোই ইসলাম থেকে সম্পূর্ণ আলাদা একটি ধর্মমতের অনুসারী। তবে পার্থক্য এই যে, অন্য সব ধর্ম নিজস্ব নাম ও পরিচয় ব্যবহার করে, কিন্তু কাদিয়ানী সম্প্রদায় ব্যবহার করে ইসলামের নাম ও পরিচয়। একারণে এই ধর্মমত একদিকে যেমন সম্পূর্ণ পরাশ্রয়ী অন্যদিকে তা সরলপ্রাণ মুসলমানদের জন্য চরম বিভ্রান্তিকর। একারণে মুসলিমজাহানের মনীষী, চিন্তাবিদ ও সর্বস্তরের জনগণের এই দাবি সম্পূর্ণ যৌক্তিক যে, এদের অবশ্যই অমুসলিম পরিচয়ে পরিচিত করতে হবে এবং ইসলামের পরিচয় ও পরিভাষা ব্যবহার থেকে বিরত রাখতে হবে।
ইসলাম তো জগতের অন্যান্য ধর্মের মতো ‘আচার সর্বস্ব’ কোনো সাম্প্রদায়িক পরিচিতি নয়, যেগুলোতে বিশ্বাস ও আদর্শের কোনো গুরুত্ব নেই, যা স্বীকার করলেও ঐ ধর্মের অন্তর্ভুক্ত থাকা যায়, স্বীকার না করলেও। পন্ডিত জওহরলাল নেহরু নাকি একবার তার ধর্ম সম্পর্কে মন্তব্য করেছিলেন, ‘এ এক আশ্চর্য ধর্ম, যা কোনো ভাবেই পিছু ছাড়ে না। ভগবানকে মানলেও এ ধর্মে থাকা যায়, না মানলেও থাকা যায়। ধর্ম মেনেও থাকা যায়, না-মেনেও থাকা যায়।’ ইসলাম এ জাতীয় ধর্ম নয়। ইসলাম এক আসমানী আদর্শ। এ আদর্শের প্রতি বিশ্বাসী ও সমর্পিত ব্যক্তিই মুসলিম। কালেমা তাওহীদ বা কালেমা শাহাদাত হচ্ছে এই বিশ্বাস ও সমর্পণের স্বীকারোক্তি। তাওহীদ ও রিসালাতের এই সুস্পষ্ট শিক্ষা মনে প্রাণে স্বীকার করা ছাড়া কেউ মুসলিম হতে পারে না।
এরপর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত সকল শিক্ষা ও বিশ্বাসকে মানা এবং সেই শিক্ষা ও বিশ্বাসের প্রতি অনুগত থাকাও অপরিহার্য। ইসলামের বিধান ও বিশ্বাসের এই অংশকে পরিভাষায় ‘জরুরিয়াতে দীন’ বলে। যেমন কুরআন মাজীদ আল্লাহর কালাম হওয়া, কিয়ামত ও আখিরাত সত্য ও অনিবার্য হওয়া, পাঁচ ওয়াক্ত নামায ফরয হওয়া ইত্যাদি। জরুরিয়াতে দ্বীনের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ অস্বীকার (অপব্যাখ্যার মাধ্যমে) রিসালত অস্বীকারেরই নামান্তর। এ কারণে মুখে কালেমা পাঠ করেও কেউ যদি জরুরিয়াতের দ্বীনের কোনো একটিকেও অস্বীকার করে-সরাসরি অস্বীকার করুক, কিংবা অপব্যাখ্যার মাধ্যমে অস্বীকার করুক-তার মৌখিক কালেমা পাঠ অর্থহীন হয়ে যায়। এ কারণে মুখে কালেমা পাঠকারী কোনো ব্যক্তিও যদি কুরআন আল্লাহর কালাম হওয়া অস্বীকার করে, কিয়ামত ও আখিরাত অস্বীকার করে, পাঁচ ওয়াক্ত নামায ফরয হওয়া অস্বীকার করে তবে সে মুসলিম থাকে না। সরাসরি অস্বীকার করুক কিংবা ‘ব্যাখ্যা’র অন্তরালে করুক। যেমন কেউ বলল, ‘কুরআন যে আল্লাহর কালাম তা মানি, কিন্তু ঐ অর্থে নয়, যে অর্থে সাধারণ মুসলমানেরা মানে। এটা আল্লাহর নাযিলকৃত কালাম নয়; বরং মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিজের রচনা। তবে আল্লাহর আদেশে রচনা করেছেন বলে একে আল্লাহর কালাম বলা হয়।’ (নাউযুবিল্লাহ)
এভাবে কিয়ামত ও আখিরাত সম্পর্কে বলল, কিয়ামত মানি, কিন্তু ঐ অর্থে নয়, যে অর্থে মুসলমানরা মানে। কিয়ামত অর্থ, পুরানো যুগের সমাপ্তি ও নতুন যুগের সূচনা। (নাউযুবিল্লাহ)
তেমনি পাঁচ ওয়াক্ত নামায সম্পর্কে বলল, ‘পাঁচ ওয়াক্ত নামায ফরয তা মানি, কিন্তু নামায অর্থ তা নয় যা মুসলমানেরা মনে করে, নামায অর্থ ধ্যান।’ (নাউযুবিল্লাহ)
তো এজাতীয় ‘ব্যাখ্যার’ অর্থ দ্বীনের ঐসকল বিধানকে অস্বীকার করা। এ কারণে এ ব্যক্তিও মুসলিম নয়।
দ্বীন ও ঈমানের এই গুরুত্বপূর্ণ মূলনীতি পরিষ্কার হয়ে থাকলে এর আলোকে কাদিয়ানী মতবাদ সম্পর্কে চিন্তা করুন। হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর রাসূল-এ বিশ্বাস যেমন অকাট্য ও অপরিহার্য তেমনি তিনি শেষ নবী, তাঁর পরে কিয়ামত পর্যন্ত আর কোনো নবী নেই-এ বিশ্বাসও অপরিহার্য এবং অকাট্য। এটিও কুরআন-সুন্নাহর মুতাওয়াতির আকীদা এবং জরুরিয়াতে দ্বীনের অন্তর্ভুক্ত। এ কারণে এ আকীদার অস্বীকারও নিঃসন্দেহে কুফর। সরাসরি অস্বীকার করা হোক কিংবা অপব্যাখ্যার অন্তরালে করা হোক।
কাদিয়ানী সম্প্রদায় খতমে নবুওতের অকাট্য ও সুস্পষ্ট আকীদাকে শুধু অস্বীকারই করে না, গোলাম আহমদ কাদিয়ানীকে ‘নবী’ বলেও বিশ্বাস করে। (নাউযুবিল্লাহ) একারণে তারা নিজেদের পরিচয়ও দেয় ‘আহমদিয়া’ বলে। বলাবাহুল্য, এই এক কুফরই এদের কাফির হওয়ার জন্য যথেষ্ট। অন্যান্য কুফরীর কথা না-ই বলা হল। একারণে মুসলিম উম্মাহর সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত এই যে, কাদিয়ানী মতবাদ সম্পূর্ণ কুফরী মতবাদ এবং এই মতবাদে বিশ্বাসীরা নিঃসন্দেহে অমুসলিম, কাফির।
খতমে নবুওতের মতো অকাট্য আকীদা অস্বীকার করার পর, নবুওতে মুহাম্মাদীর সমান্তরালে নতুন ‘নবুওতে’ বিশ্বাসের পরও যারা এদের অমুসলিম পরিচয়ে সংশয় পোষণ করেন তারা হয় যিন্দীক-বেদীন কিংবা জাহিল-মূর্খ। এদেরও কর্তব্য নতুন করে আল্লাহর শেষ রাসূলের উপর ঈমানকে নবায়ন করা।
মুসলিম উম্মাহর নানাবিধ দুর্বলতার সুযোগে সমাজের বর্ণচোরা মুলহিদ শ্রেণী এতই বেপরোয়া হয়ে উঠেছে যে, ‘জাতীয় দৈনিকে একের পর এক ক্রোড়পত্র প্রকাশ করছে, যাতে আগাগোড়া ব্যবহৃত হচ্ছে ইসলামের কালেমা এবং বিশেষ ইসলামী পরিভাষাসমূহ!
যদি কোনো বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী বাংলাদেশের অখন্ডতাকে অস্বীকার করে এবং বাংলাদেশের সীমানার ভিতরে আরেক ‘বাংলাদেশে’র গোড়াপত্তন করে আর ঐ কল্পিত রাষ্ট্রের জন্য বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা ব্যবহার করে, আলাদা নির্বাহী, প্রশাসন ও বিচারবিভাগ ঘোষণা করে তাহলে এই বিচ্ছিন্নতাবাদীদের বিষয়ে দেশপ্রেমিক জনগণ, সেনাবাহিনী ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের অবস্থান কী হবে বা হওয়া উচিৎ? এরপর যদি ঐ বিদ্রোহী গোষ্ঠীর উপর এদেশের কোনো জাতীয় দৈনিকে ক্রোড়পত্র প্রকাশিত হয় এবং তাদের ‘সংস্কৃতি’ ও ‘রাজনৈতিক পরিচিতি’ রক্ষার আবদার জানিয়ে মায়াকান্না করা হয় তাহলে এদের সম্পর্কে দেশপ্রেমিক জনগণের প্রতিক্রিয়া কী হবে? এদের কি রাষ্ট্রদ্রোহের অপরাধে ফাঁসিতে ঝুলানো হবে না? এরা কি চিরদিনের জন্য গাদ্দার ও মুনাফিক বলে চিহ্নিত হবে না?
একই কথা কাদিয়ানী সম্প্রদায় এবং তাদের পৃষ্ঠপোষকদের সম্পর্কেও প্রযোজ্য। এ সম্প্রদায় শেষ নবী হযরত মুহাম্মাদ মুস্তফা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নবুওতের সমান্তরালে আলাদা নবুওতের মিথ্যা দাবি করেও এবং সে দাবির সাথে একাত্মতা প্রকাশ করেও নিজেদেরকে মুসলিম উম্মাহর অন্তর্ভুক্ত বলে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে। সম্পূর্ণ আলাদা ও বিচ্ছিন্ন ধর্মমতে বিশ্বাসী হয়েও ইসলামের পরিচয় ও পরিভাষা ব্যবহার করে চলেছে। আর মুসলিমসমাজে ঘাপটি মেরে থাকা মুনাফিক শ্রেণী বিভিন্ন ভাবে এদেরকে প্রচারের আলোয় নিয়ে আসছে এবং এদের পক্ষে জনমত সৃষ্টির অপতৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে। ইসলামের সর্বজনীনতা ও সর্বকালীনতাকে অস্বীকারকারী এই বিচ্ছিন্নতাবাদী সম্প্রদায় সম্পর্কে এরপরও কি কোনো মুসলিম দ্বিধাগ্রস্ত থাকতে পারে? আর যেসব মুলহিদ-মুনাফিক এই বিচ্ছিন্নতাবাদের সাথে সংহতি প্রকাশ করে তাদের গোত্র-পরিচয় সম্পর্কেও কি কোনো মুমিনের সংশয় থাকতে পারে?
এখন সময়ের দাবি, মসজিদে মসজিদে কাদিয়ানী মতবাদের উপর ব্যাপক আলোচনা শুরু হওয়া। কুরআন-সুন্নাহর আলোকে খতমে নবুওতের অকাট্য আকীদা এবং নবী-যুগ থেকে এ পর্যন্ত নবুওতের মিথ্যা দাবিদারদের ইতিহাস ও পরিণাম সম্পর্কে প্রমাণিক আলোচনা আরম্ভ করা। আমাদের মাসিক ও পাক্ষিক সাময়িকীগুলোতে এবং দৈনিক পত্রিকাগুলোর ইসলামী পাতাগুলোতেও এ বিষয়ে নিয়মিত আয়োজন থাকা উচিত। মনে রাখতে হবে, এই বছরটি ওদের মিথ্যাচারের শতবর্ষ পূর্তির বছর। সুতরাং সারা বছর বিভিন্নভাবে প্রকাশ্যে-অপ্রকাশ্যে তাদের অপতৎপরতা যে চলতে থাকবে তা বলাই বাহুল্য। গোটা দেশের আলিম-উলামা, ইমাম-খতীব এবং ইসলাম প্রিয় লেখক-সাংবাদিকের এ বিষয়ে একযোগে আলোচনা ও প্রতিরোধ শুরু করা এখন সময়ের দাবি। সকল মুসলিম নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী যদি এই চরম বিদ্রোহ ও বিচ্ছিন্নতার মোকাবিলা আরম্ভ করেন তাহলে ইনশাআল্লাহ বেদীন-মুনাফিক চক্রের সকল অপতৎপরতা ব্যর্থ হবেই হবে। আল্লাহ আমাদের তাওফীক দান করুন। আমীন।

ঐতিহাসিক খতমে নুবুওয়াত ইজতেমার ২য় দিনের প্রথম অধিবেশ খাদিমুল ইজতিমা আল্লামা মুফতি নুর হুসাইন নুরানী দা.বা. এর বায়ানের মাধ্যমের আরম্ভ হয়েছে।

t
ঐতিহাসিক খতমে নুবুওয়াত ইজতেমার ২য় দিনের প্রথম অধিবেশ খাদিমুল ইজতিমা আল্লামা মুফতি নুর হুসাইন নুরানী দা.বা. এর বায়ানের মাধ্যমের আরম্ভ হয়েছে।
=======================
দক্ষিন পূর্ব এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম খতমে নবুওয়াত ইজতেমায় দেশের নানা প্রান্ত হতে ধর্মপ্রাণ মানুষ এই ইজতেমায় এসে উপস্তিত হয়েছেন। বিগত নয় বছর ধরে মানুষ এই ইজতেমা মাধ্যমে হেদায়াতের মিছিলে সমবেত হতে সক্ষম হয়েছে খতমে নবুওয়াত ইজতেমার রূহানী আমেজ দিনদিন অবিশ্বাস্য গতিতে বৃদ্ধি পাচ্ছে হাজার হাজার মানুষ নদীর স্রোতের মতো ছুটে আসেন মুন্সিগঞ্জের মুন্সিরহাট ইজতেমা নগরের নদীর তীরে দিকভ্রান্ত পথহারা মানুষ এই ময়দানের বরকতে আল্লাহ্ওয়ালাদের কাতারে শামিল হওয়ার প্রতিযোগিতা করে ইসলামের পরিপূর্ণ দিকনির্দেশনা নিয়ে ব্যক্তিগত জীবন, পারিবারিক জীবন, সামাজিক জীবন রাজনৈতিকজীবনে দীনি দীক্ষা নিয়ে সফল মুত্তাকী মানুষে পরিণত হয়
এই মাহফিলকে কেন্দ্র করে দেশ-বিদেশের খ্যাতিমান শীর্ষ ওলামা হযরত আল্লাহওয়ালাদের মিলনমেলায় এসে অভিভূত হয়েছেন দুনিয়ার কালিমা, শয়তানের প্ররোচনায় রোগাক্রান্ত অন্তর, স্বার্থ মোহের ঘুর্ণাবর্তে পড়ে নষ্ট হওয়া এই জীবনকে রূহানিয়াতের নুরে ধুয়ে মুছে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করার জন্য এই মাহফিল হেদায়াতের কষ্টিপাথর ইশকের আগুনে নিজের আমিত্বকে জ্বালিয়ে পুড়িয়ে নিজেকে খাঁটি সোনায় পরিণত করবার একটি মারাফাতের কারখানা ইজতেমার তাকওয়াপূর্ণ পরিবেশ, চমৎকার শৃঙ্খলা, রূহানী বয়ান, মুজাহিদদের ক্ষণেক্ষণে জিকিরের ধ্বণিতে মনে হয় মহান আল্লাহ আসমান থেকে লক্ষ লক্ষ ফেরেস্তা নাযিল করেছেন
যাদের সৌভাগ্য হয়েছে রূহানিয়াত জিহাদের এই উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র হবার তাদের কাছে আমার এই বর্ণনা কোনভাবেই যতেষ্ট নয় কারণ ইজতেমায় নবাগত মুজাহিদদের অনুভূতি, অল্পসময়ে তাদের জীবনের আমূল পরিবর্তন, পুরো ময়দানে জান্নাতি পরিবেশ, নুরের ঝলখানি, আসমান থেকে বর্ষিত আল্লাহ পাকের রহমত, প্রভুর সনে নিবেদিতপ্রাণ আশিকদের কলিজা নিংড়ানো আকুতি, জাহান্নামের ভয়ে পাগলদের বুকফাটা কান্না, অশ্রুসিক্ত ময়দান শায়খের মর্মস্পর্শী বয়ানের বর্ণনা দৃশ্যমান কাগজে কলমে তুলে আনা কখনো সম্ভব নয়! যারা এখনো এই ইজতেমায় যারা যাননি তারা বিশ্বাসই করবেন না যে এই ধরার বুকে এখনো আল্লাহ রহমত সরাসরি দেখতে পাওয়া যায় দুএকজন ব্যক্তি এই ঐতিহাসিক ইজতেমা নিয়ে তীর্যক মন্তব্য করেন, খতমে নবুওয়াত আন্দোলন নিয়ে না জেনে, না বুঝে সমালোচনা করেন, তাদের উচিত অন্তত একবার এই ময়দানে ঘুরে আসা সরেজমিনে পর্যবেক্ষক করে বিরূপ মন্তব্য করা তাদের জন্য সুযোগ আসন্ন ২৯, ৩০ ও ৩১ মার্চ "১৭ তিনদিন ব্যাপী এই মাহফিলে অংশগ্রহণ করা সাথে সাথে যারা নিজের অন্তরকে সকল পাপাচার থেকে মুক্ত করে, রাসূল সা. এর রাজ সিংহাসন খতমে নবুওয়াতকে রক্ষার জন্যে, পথভ্রষ্ট কাদিয়ানীদেরকে বাংলাদেশের সংবিধানে রাষ্ট্রীয় আইন প্রনয়ন করে সংখ্যালঘু অমুসলিম ঘোষনা করার দাবি আদায় করে, বিশুদ্ধ আকিদা বিশ্বাস নিয়ে, শয়তানের সকল প্ররোচনাককে পদদলিত করে প্রকৃত আল্লাহর আশেক হয়ে ঈমান নিয়ে কবরে যেতে চাই তাদের জন্য এই মাহফিল সময়ের শ্রেষ্ঠ বাতিঘর
আজকে প্রথম অধিবেশন আলোচনা পেশ করেছেন আল্লামা ফজলুল করিম সিদ্দিকি দা.বা.। আজকে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থাকবেন দক্ষিন পূর্ব েএশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম দীনি ইদারাহ হাটহাজারী আরবি বিশ্ববিদ্যায়ের সম্মানিত শায়খুল হাদিস আল্লামা হাফেয জুনাইদ বাবুনগরী দা.বা.। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত থাকবেন ঢাকা অঞ্চলের অধ্যাত্মিক জগতের শীর্ষ পুরুষ আল্লামা আব্দুল হামিদ পীর সাহেব মধুপুর দা.বা. উপস্থিত থাকবেন বলে সদয় সম্মতি জ্ঞাপন করেছেন।
বার্তা প্রেরক
মুফতি উসমান আল-হুমাম উখিয়াভী
প্রচার সম্পাদক
খতমে নবুওয়াত আন্দোলন বাংলাদেশ


ইসলামের দৃষ্টিতে বৃক্ষরোপণ ও সবুজ বনায়নের গুরুত্ব

ইসলামের দৃষ্টিতে বৃক্ষরোপণ ও সবুজ বনায়নের গুরুত্ব হাফেয মাওলানা মুফতি ওসমান আল-হুমাম উখিয়াভী সিনিয়র মুহাদ্দিস জামেয়া ইসলামিয়া বাইতুল ক...